Policy Research Institute - PRI Bangladesh

The Policy Research Institute of Bangladesh (PRI) is a private, nonprofit, nonpartisan research organization dedicated to promoting a greater understanding of the Bangladesh economy, its key policy challenges, domestically, and in a rapidly integrating global marketplace.

Rethinking Political Development for Stability and Justice

Title

 

Posted : 20 Jan, 2017 00:00:00

 

 

Photo: Finance Minister AMA Muhith addressing

 

Finance Minister AMA Muhith addressing the conference titled "Rethinking Political Development: Security and Freedom Based on Justice," jointly organised by Policy Research Institute of Bangladesh (PRI) and International Political Science Association (IPSA) in the city on Thursday. — FE photo

 

Devolution to help attain GDP above 7.0pc: Muhith

Govt mulls empowering local govt bodies instead of decentralisation

FE Report

Finance Minister AMA Muhith said Thursday the government wanted to bring about devolution in the local government bodies rather than decentralisation of power to attain an economic growth to be steady at 7.0 per cent and above.

He underscored the need for strengthening and restructuring the local government to sustain the present trend of growth, leading to desirable economic development in the country.

"We are now deeply thinking about how we can strengthen the local government bodies to attain the GDP growth at 8.0-10 per cent," he told a conference in the capital.

Policy Research Institute (PRI) and International Political Science Association (IPSA) jointly organised the conference titled "Rethinking Political Development: Security and Freedom Based on Justice".

"It is not possible to provide money to the districts from the centre and to develop the entire country. We will make districts autonomous and they can make decision like any state in the federal system of government," the minister said. "Decentralisation is not good, we now want devolution."

He meant for something through which responsibility would go to the local government -- they will be strengthened in a way they would develop through using their own resources.

Muhith said the government was working relentlessly to strengthen the local government bodies through enhancing their duties side by side providing required finance to maintain the trend of GDP growth at over 7.0 per cent.

"If we want steady growth at 7.0 per cent, we need to finance local government separately. But we cannot make it from the central government. We have to financially strengthen local government by using their own resources," he added.

He also emphasised on reducing pressure on Dhaka city through increasing the responsibilities and duties at the district level and said: "Now everyone depends on Dhaka city to do anything as the district does not have such a status."

He said the government's biggest challenge is now administrative reform.

"We are not using full potential of the local government. We do not have clear idea about how a local government works. It is high time for the political leaders to take a stern decision on the local government."

The minister also thought that if local government officials are employed from the same administrative region, there would be less corruption.

He said the ruling Awami League has formed the government because of the 'stupidity' by Bangladesh Nationalist Party (BNP) chairperson Begum Khaleda Zia.

"Had they took part on January 05 election in 2014, they might be in power today … we are in power because of their foolishness," he told reporters, explaining the 'stupidity'. No election would have taken place on January 5, if Jatiya Party did not take part, he added.

Chair of RC 37 of IPSA Dr Zillur R Khan, Vice chairman of PRI Dr Sadiq Ahmed and member of Asiatic Society Bangladesh Dr Tazeen Mursheed presented three keynote papers respectively on "Rethinking Political Development: Security and Freedom Based on Justice", "Political Economy of Income Distribution and Inequality in Bangladesh" and "Inclusive Political Development: the role of the state as an impartial arbitrator".

Dr Zillur R Khan said the politicians seeking to be elected should be pressured by public opinion to express themselves about their public policy preferences.

He said a non-partisan election commission must have the power to cancel elections in any given constituencies because of serious violations of electoral rules.

In his recommendation, Sadiq Ahmed said the key public institutions like the central bank, public commercial banks, public enterprises, tax department, RAJUK and municipalities should work on the basis of defined rules of business and accountabilities rather than political directives.

He also urged the government to ensure full separation of judiciary from the executive branch with adequate resources and modern technology.

PRI executive director Ahsan Mansur delivered the welcome speech while former secretary Enam Ahmed Choudhury and president of Bangladesh Political Science Association Dr Ataur Rahman were, among others, spoke at the conference.

bdsmile@gmail.com

http://print.thefinancialexpress-bd.com/2017/01/20/162598

 

 

 

উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে আঞ্চলিক সেমিনার

কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে প্রয়োজন শক্তিশালী স্থানীয় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০১:৩৩, জানুয়ারি ২০, ২০১৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালী করতে না পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের বেশি টেকসই করতে হলে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু অর্থ দিলেই হবে না, এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার কাঠামো ও দায়িত্ব বদলাতে হবে। কেন্দ্রে বসে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যে কাজ করেন, সেই দায়িত্ব দিতে হবে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের। এখানেই বেশি নজর দিতে হবে। এ জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত খুবই জরুরি বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্যাল সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সেমিনারে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। ‘রিথিংকিং পলিটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট: সিকিউরিটি অ্যান্ড ফ্রিডম বেইজড অন জাস্টিস’ শীর্ষক দিনব্যাপী এ সেমিনারে প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী। পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুরের সঞ্চালনায় সকালের অধিবেশনে দুটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ ও যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস জিল্লুর আর খান।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর মতে, ১৯৪৫ সালের পর ওই বছরের মতো ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন’ আর হয়নি। জাতীয় পার্টি এ নির্বাচনে না এলে নির্বাচনই হতো না।

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘বিএনপি ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় খালেদা জিয়া নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছেন। নির্বাচনের আগে মন্ত্রিপরিষদ ভেঙে দেওয়া হলো। কে মন্ত্রী থাকবেন বা কে থাকবেন না, তার কোনো ঠিক ছিল না। সেই সময়ে তিনি (খালেদা জিয়া) যদি নির্বাচনে আসতেন; তাহলে হয়তো জিততে পারতেন। আর না জিতলেও সমস্যা হতো না। শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে সংসদে তো থাকতেন।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, জনপ্রশাসনে ১৮ লাখ জনবল আছেন, তাঁরা কোনোভাবেই কেন্দ্র ছেড়ে জেলা-উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে চান না। কিছু অংশ কেন্দ্রে রেখে বাকিদের স্থানীয়ভাবে কাজে লাগাতে পারলে সেবার মান বাড়বে এবং জনগণ উপকৃত হবে।

‘পলিটিক্যাল ইকোনমি অব ইনকাম ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড ইনইকুয়ালিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধে সাদিক আহমেদ বলেন, বিগত বছরে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রশংসনীয়। তবে বেড়েছে আয়-বৈষম্যও। এটা দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ। আয়-বৈষম্য কমানোর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সামাজিক সুরক্ষায় আরও বেশি সরকারি ব্যয়ের পরামর্শ দেন তিনি।

দিনব্যাপী সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে একাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। জিল্লুর আর খানের সঞ্চালনায় প্রথমেই ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগর ঘিরে উচ্চপর্যায়ে সমুদ্র রাজনীতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আমিনুল করিম। তিনি বলেন, ভারত মহাসাগর বিশেষত বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্ভাবনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশসহ এশিয়ার আঞ্চলিক শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনীতি বাড়ছে। এর ফলে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে।

ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন ও নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগিতার সম্পর্ক নিয়ে দ্বিতীয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্ক ফারহা। তিনি বলেন, কখনো কখনো উন্নয়নের চেয়ে নিরাপত্তা ইস্যুই প্রাধান্য পাচ্ছে। নিরাপত্তা সংকট যত বাড়বে, উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি তত বেশি গৌণ হয়ে পড়বে। এর ফলে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর সহিংসতা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক সংঘাতে সরকারি দলের লোকজনই বেশি হতাহতের শিকার হচ্ছে। এ সহিংসতা রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করছে।

এ ছাড়া নারী বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমের চিফ অব পার্টি সিলজা পাসিলিনা রাজনৈতিক উন্নয়নে বৈশ্বিককরণের প্রভাব নিয়ে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ইমতিয়াজ এ হোসাইন এবং রাজনৈতিক উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে দৈনিক সমকাল-এর সহযোগী সম্পাদক অজয় দাশগুপ্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

http://www.prothom-alo.com/economy/article/1063233/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0

 

 

নির্বুদ্ধিতার কারণে খালেদা জিয়া আজ বিতাড়িত :অর্থমন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট২০ জানুয়ারী, ২০১৭ ইং

নির্বুদ্ধিতার কারণে বেগম খালেদা জিয়া আজ রাজনীতি থেকে বিতাড়িত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি হয়তো ক্ষমতায় যেতে পারতেন অথবা বিরোধীদলে থাকতে পারতেন। কিন্তু তার নির্বুদ্ধিতার কারণে বিএনপি আজ বিতাড়িত। সে সময়ে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি ভুল করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার আইপিএস-ইন্টার ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের রিজিওনাল কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর বনানীস্থ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে (পিআরআই) এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুরের সঞ্চালনায় আইপিএস এর চেয়ারম্যান ড. জিল্লুর আর খান, পিআরআইর ভাইস চেয়ারম্যান ড. সাদিক আহমেদ, ড. তাজিন মুরশিদ পৃথক তিনটি নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে স্থানীয় প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু এই বাস্তবায়ন হচ্ছে স্থানীয় সরকারের নিম্নতম কর্মচারীদের মাধ্যমে। এটা পরিবর্তন করা খুবই কষ্টকর। এর কারণ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যারা এই ক্ষমতা ছাড়তে চান না। এ বিষয়ে তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী। এজন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, সরকারের ১৮ লাখ কর্মচারীকে জেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকারে পাঠিয়ে দিতে হবে, তাহলে পরিবর্তন সম্ভব। সরকারি সেবাকে জেলা পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এখন আমাদের সব কিছুর জন্য রাজধানীতে আসতে হচ্ছে। এ ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির হার ৮ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পরিবর্তনের বিষয়ে অনেকেই বলেন প্রচুর অর্থ অপচয় হবে কিন্তু আমি এটা মনে করি না। দুর্নীতির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা দুর্নীতিরোধে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি ব্যবহার করছি আর সেটি হলো তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে দুর্নীতি কমে এসেছে। শতাধিক পেমেন্ট ব্যবস্থা অন লাইনে হওয়ার ফলে আর্থিক লেনদেনে দুর্নীতি কমে এসেছে। গত আট দশ বছরে দেশের কর ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা কর আদায়ে অনেক গুরুত্ব দিয়েছি বলে এটি সম্ভব হয়েছে। আগামী বাজেটের আকার ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এখনও কর আদায়ে কিছু দুর্বলতা রয়েছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যেমন, ‘হোন্ডিং ট্যাক্স’। সাদেক হোসেন খোকা মেয়র হবার আগে এই হোল্ডিং ট্যাক্স পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছিল। এটি এতবছরে আর কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ ধরনের খাতগুলোতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/second-edition/2017/01/20/170375.html

 

 

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০০:৫৯:০০ মিনিট, জানুয়ারি ২০, ২০১৭

 

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত হবে: অর্থমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা গেলে দেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব। তবে প্রবৃদ্ধির বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর পুনর্গঠনই বর্তমানে বড় সমস্যা। গতকাল রাজধানীতে আয়োজিত এক সম্মেলনে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রাজধানীর পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে (পিআরআই) গতকাল আইপিএস-ইন্টার ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী। পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুরের সঞ্চালনায় আইপিএসের চেয়ারম্যান ড. জিল্লুর আর খান, পিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ড. সাদিক আহমেদ ও ড. তাজিন মুরশিদ সম্মেলনে পৃথকভাবে তিনটি নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে পারলে প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে ধরে রাখতে স্থানীয় সরকারের কাঠামো, দায়িত্ব, অর্থায়ন— এগুলো নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও একমত আছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা স্থানীয় সরকার পুনর্গঠন। দেশের আয়তন কম হলেও জনসংখ্যা অনেক বড়। এ জনগোষ্ঠী আবার শিক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে কাজ খুব কম হয়। আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন। শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণই নয়, এটি বাস্তবায়নের দায়িত্বও স্থানীয় সরকারের হাতে যেতে পারে। এ ব্যাপারে আমাদের চিন্তাধারা এখনো খুব একটা স্বচ্ছ নয়।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বের ৫০-৬০টি দেশ রয়েছে, যাদের বাংলাদেশ থেকেও কম জনসংখ্যা ও কম আয়তন রয়েছে। সে হিসেবে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি। সরকারি সেবাকে জেলা পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এখন আমাদের সবকিছুর জন্য রাজধানীতে আসতে হচ্ছে। সরকারের ১৮ লাখ কর্মচারীকে জেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকারে পাঠিয়ে দিতে হবে; তাহলে পরিবর্তন সম্ভব। এ ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির হার ৮-১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

দুর্নীতির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা দুর্নীতি রোধে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি ব্যবহার করছি, আর সেটি হলো তথ্যপ্রযুক্তি। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে দুর্নীতি কমে এসেছে। শতাধিক পেমেন্ট ব্যবস্থা অনলাইনে হওয়ার ফলে আর্থিক লেনদেনে দুর্নীতি কমে এসেছে।

গত ৮-১০ বছরে দেশের কর ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা কর আদায়ে অনেক গুরুত্ব দিয়েছি বলে এটি সম্ভব হয়েছে। আট বছর আগে ৯৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট থেকে এ বছর সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকার বাজেট দেয়া সম্ভব হয়েছে। আগামী বাজেটের আকার ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলেও তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।

পিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ তার প্রবন্ধে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে সবকিছুই ইতিবাচক। শুধু একটি বিষয়ই নেতিবাচক। সেটা হচ্ছে আয় বৈষম্য, যা বেড়েছে। তার মানে, প্রত্যেকের সমান সুযোগ ও সমান অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, আমরা নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হয়ে গেছি; উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ হব। ওই অবস্থায় যেতে হলে আমাদের সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। ব্যবধান কমাতে হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় উন্নতি হলেও লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছা যায়নি। এ সময় তিনি দরিদ্রদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা চালুর কথা বলেন।

http://bonikbarta.com/news/2017-01-20/103614/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80/

 

 

 

 

স্থানীয় সরকার পুনর্গঠনই বড় সমস্যা: অর্থমন্ত্রী

  জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2017-01-19 17:24:00.0 BdST Updated: 2017-01-19 20:04:45.0 BdST

 

প্রবৃদ্ধির বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর পুনর্গঠনকেই বর্তমানে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে পারলে প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।

“আমার কাছে মনে হয়, বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা স্থানীয় সরকাকে রিস্ট্রাকচারিং করা। আয়তন কম হলেও জনসংখ্যা অনেক বড়। এরা আবার শিক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে। আমার মনে হয়, প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন। কেবল সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্বও স্থানীয় সরকারের হাতে যেতে পারে। এ ব্যাপারে আমাদের চিন্তা ধারাও খুব স্বচ্ছ নয়।

স্থানীয় সরকার পর্যায়ে কাজ খুব কম হয় বলেও মন্তব্য করেন মুহিত।

“সরকারের বিভিন্ন যেসব প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন উদ্যোগে সম্পৃক্ত, তাদের অধীনস্ত হিসেবে স্থানীয় সরকার কাজ করে। সে কাজগুলো স্থানীয় সরকারে খুব কম হয়। সে কাজগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের নিম্নতম পর‌্যায়ের কর্মচারীরাই করে।

 

“এটা পরিবর্তন কী করে করা যায়, সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ এবং কষ্টকর। কারণ আমাদের যে ১৮ লাখ ব্যুরোক্রেসি আছে, তারা কোনভাবেই  সেই ক্ষমতার প্রতি সংস্থাপন হতে দেন না। চাইলে না চাইলেও অটোমেটিক তারাই সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে যায়।

তাই স্থানীয় সরকার সম্পর্কে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কঠোর সিদ্ধান্ত  প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।

প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশে রাখতে স্থানীয় সরকারের কাঠামো, দায়িত্ব, অর্থায়ন- এগুলো নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার পক্ষেও প্রধানমন্ত্রীও একমত বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

“১/২ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারে রেখে ১৮ লাখ কর্মচারীদেরকে স্থায়ীভাবে জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।  ওখানেই তাদের ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে। সেটা যদি করা যায়, তাহলে হয়তো একটা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

“৫০ থেকে ৬০টি দেশ আছে, যারা আমাদের চেয়ে ছোট। প্রায় একই সংখ্যক দেশ আছে যাদের জনসংখ্যা কম। তার মানে আমাদের জেলা ইউনিট অটোনোমাস স্টেট হওয়ার মত। স্টেটের দিকে আমাদের যাওয়া উচিত।তাহলে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশ সম্ভব হবে।”

পিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ তার প্রবন্ধে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে সবকিছুই ইতিবাচক। কেবল একটা বিষয়ই নেতিবাচক। সেটা হচ্ছে, আয় বৈষম্য বেড়েছে। তার মানে, যেখানে প্রত্যেকের সমান সুযোগ থাকবে, প্রত্যেকের অংশগ্রহণ থাকবে, সেটা এখনও বাস্তবায়িত হয় নাই।

“আমরা নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ হয়ে গেছি, উচ্চ মধ্য আয়ের দেশ হবো। ওই অবস্থায় যেতে হলে আমাদেরকে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। ব্যবধান কমাতে হবে।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় উন্নতি হলেও লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যায়নি উল্লেখ করে তিনি দরিদ্রদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থা করার পক্ষে বলেন।

সেমনারেও অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান ও তাজিন মোরসেদ আরও দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

http://bangla.bdnews24.com/economy/article1275200.bdnews

Speech