Policy Research Institute - PRI Bangladesh

The Policy Research Institute of Bangladesh (PRI) is a private, nonprofit, nonpartisan research organization dedicated to promoting a greater understanding of the Bangladesh economy, its key policy challenges, domestically, and in a rapidly integrating global marketplace.

Macroeconomic Initiatives of the Government of India


News Published: Thursday, Oct 05, 2017

The Daily Star

12:00 AM, October 05, 2017 / LAST MODIFIED: 12:41 AM, October 05, 2017


$1b for Rooppur nuke power plant


Arun Jaitley

Rejaul Karim Byron

Dhaka and New Delhi have signed a $4.5 billion credit agreement with a provision for spending nearly one fourth of the amount on Bangladesh's first nuclear power plant at Rooppur.

Through this deal, India becomes a party to the civil nuclear programme to be implemented by Russia.

At the signing ceremony of the third Line of Credit (LoC) at the finance ministry yesterday, visiting Indian Finance Minister Arun Jaitley said this is the biggest-ever credit New Delhi has given to any country.

Seventeen projects have already been identified for implementation under the third LoC.

Of the amount, around $1 billion would be spent on infrastructure development for power evacuation facilities of Rooppur plant. When the power plant goes into production, a transmission line will be set up to connect it to the national grid.

Russia is building the plant and also providing a credit of $12 billion for the project.

Finance Minister AMA Muhith and his Indian counterpart oversaw the deal signing in the morning.

“We are passing through an era where the Indo-Bangladesh relations are at its very best. And in the spirit and environment that exist between our governments, our people and our prime ministers, we have been able to resolve a lot of issues of the past,” said Jaitley.

“India sees Bangladesh not merely as a neighbour and a friend… we deeply appreciate the kind of progress and the pace of progress that Bangladesh has been making in the last several years.”

Before the signing ceremony, the delegations of the two countries, led by the finance ministers, held a closed-door meeting for an hour.

An official who was present there said the two sides discussed how the three LoCs could be implemented smoothly.

The Indian side made requests over several issues, including quick implementation of the bridge project over the Feni river which would be helpful in transporting goods from Chittagong port to seven sister states in India, said the official.

The Indian side also proposed revival of the railway system that existed during the British period for increasing connectivity between the two countries.


New Age

India’s Jaitley shares with Bangladesh ‘benefits’ of cashless economy

Says cash leads to tax evasion, it hurts poor

Business Desk | Published: 22:40, Oct 04,2017 | Updated: 00:23, Oct 05,2017



Finance minister AMA Muhith, India’s finance minister Arun Jaitley, Indian high commissioner to Bangladesh Harsh Vardhan Shringla and Policy Research Institute chairman Zaidi Sattar are seen at talks on ‘Macroeconomic Initiatives of the Government of India’ organised by PRI and the High Commission of India in Dhaka on Wednesday. — New Age photo

Describing cash-centric economy as one of India’s great challenges, its finance minister Arun Jaitley on Wednesday said the current Indian government is working to make India a less-cash market as it leads to corruption and hurts the poor, reports United News of Bangladesh. 
‘Cash leads to tax evasion, cash leads to shadow economy and cash leads to corruption,’ he said while addressing a ‘talk’ on ‘Macroeconomic Initiatives of the Government of India’ at a city hotel.
Jaitley said a large part of India’s economy just thrived on cash and when it thrives on cash, the curse of cash also exists.
‘One of the great challenges in Indian economy that we always faced was that it was cash-centric economy,’ said the Indian minister adding that India is one of the fastest growing economies in the world over the last three years.
Therefore, he said, from the very first day in office, the government under prime minister Narendra Modi, initiatives were taken step by step to take India in the direction of making a less cash market.
He mentioned that they, in the year 2014, discovered that though India had a very large banking network, only about 58 per cent of Indians or Indian families are connected to a banking system.
And some 42 per cent of the total population was completely outside the financial inclusion, the minister added.
He said the current Indian government took the matter as the very first challenge before them and started working to take these unbanked people into the banking network.
Jaitley said these unbanked people are from ‘rural areas, tribal areas, in geographically more remote areas. There were people who came from parts of central India which were impacted by left-wing extremism.’
He also said the officials started visiting every house, every family to bring unbanked people into the baking system that helped India open 300 million bank accounts in both rural and urban areas in three years.
The Indian minister said excessive cash operates against the poor and it deprives the state of revenue and overall economy.
In countries like India, he said they have seen lot of terror activities that thrived on cash and there have not much done in the past to address it.
Describing the reform in India, he said these reforms will allow India and its economy grow much faster and much greater way. ‘There is lot of room for improvement.’
At the beginning, Jaitley said there is a very significant collaboration and understanding between Bangladesh and India. 
He said building of bilateral trust climaxed Bangladesh-India relations, enabling the two neighbours to address their nearly identical challenges, adds Bangladesh Sangbad Sangstha. 
‘Our roots are common. The identity of our people is very similar. Therefore, I see lots of our challenges are common.’ 
Jaitley said bilateral relations developed in the past with the two countries finding their identical roots in the history but in recent years ‘it climaxed’ with expanding cooperation and understanding.
Jaitley said every year some 1.4million Bangladesh visited as he cited the figure as an example of growing ties.
The Policy Research Institute (PRI) and the High Commission of India organised the public lecture, also joined by Bangladesh’s finance minister AMA Muhith while the event was also marked by the launching of online payment of Indian Visa Application Processing Fees.
Speaking at the lecture, finance minister Muhith said development of information and technology is essential to take forward the country and remove corruption.
PRI chairman Zaidi Sattar, delivering the concluding remarks at the function, expected India’s macroeconomic initiatives to yield positive results not only for Indian economy but would ensure its positive spillover effects on the Bangladesh economy in view the vibrant bilateral trade ties.
Indian high commissioner to Bangladesh Harsh Vardhan Shringla was present on the occasion.  




সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় অরুণ জেটলি

ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের কিছু দিক বাংলাদেশ গ্রহণ করতে পারে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ০১:২৮:০০ মিনিট, অক্টোবর ০৫, ২০১৭



ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের কিছু  দিক বাংলাদেশ গ্রহণ করতে পারেভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের কিছু দিক বাংলাদেশ গ্রহণ করতে পারে

ভারতের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। প্রায় সব মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা হয়েছে। ভর্তুকির সুবিধা সরাসরি দরিদ্ররাই ভোগ করছে। নগদ অর্থের লেনদেন কমিয়ে কর ফাঁকি রোধ, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। ভারতীয় অর্থনীতির এসব সংস্কারের কিছু দিক বাংলাদেশও গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি বলেন, আমাদের শিকড় অভিন্ন। সাদৃশ্য রয়েছে আমাদের জনগণের মনোভাবে। দুই দেশের অনেক প্রতিবন্ধকতাও তাই একই ধরনের।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে গতকাল ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ও দ্য পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই) আয়োজিত ‘ম্যাক্রোইকোনমিক ইনিশিয়েটিভ অব দ্য গভর্মেন্ট অব ইন্ডিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা ছিলেন অরুণ জেটলি। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভারত বিগত বছরগুলোয় বেশ দ্রুতগতিতেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। শেষ তিন বছরে সবচেয়ে দ্রুত অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সবকিছুর পরও ভারতের অর্থনীতিতে আমরা যে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছি, তা হলো ‘নগদ অর্থকেন্দ্রিক অর্থনীতি’। আমরা এ থেকে বেরিয়ে আসতে ধাপে ধাপে পদক্ষেপ নিয়েছি।

ভারত সরকারের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে অরুণ জেটলি বলেন, ২০১৪ সালে আমরা দেখলাম যে, ভারতে বিশাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র ৫৮ শতাংশ ভারতীয় পরিবারের ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বাকি ৪২ শতাংশ সম্পূর্ণভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে। এ ৪২ শতাংশের বেশির ভাগই গ্রামীণ, আদিবাসী ও ভৌগোলিকভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। কীভাবে এ ৪২ শতাংশ ভারতীয়কে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা যায়, সে উদ্যোগ নিলাম আমরা। কিন্তু এ কাজে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে যাওয়া। এক্ষেত্রে ভারতের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলো আমাদের সহযোগিতা করেছে। ঘরে ঘরে যাওয়ার এ চ্যালেঞ্জটি তারা হাতে নেয়। শুরু হয় প্রতিটি ঘরে যাওয়ার ক্যাম্পেইন। ব্যাংক কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গেলেন। এছাড়া ছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ‘জন ধন’ পরিকল্পনা। আমাদের এ উদ্যোগটি ছিল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি অংশ। ভারত ১২৫ কোটি মানুষের দেশ। এখানে ২৫ কোটি পরিবারের বাস। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ৩০ কোটি ব্যাংক হিসাব খুলেছি। ব্যাংক হিসাবগুলো খোলার পর ৭৮ শতাংশ হিসাবেই কোনো অর্থ ছিল না। ভারতীয়দের ভর্তুকি দেয়ার অংশ হিসেবে এ ব্যাংক হিসাবগুলো সচল রাখতে কিছু অর্থ এগুলোয় দেয়া হয়েছিল, যা ছিল সামান্য অর্থের কিস্তিতে পেনশন নীতি।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিয়ে ভারতের অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মতো ভারতও তার জনগণকে পূর্ণভাবে সামাজিক সুরক্ষা দিতে পারে না। এ ঘাটতি নিরসনে মানুষকে জানানো হলো, মাসে ১ রুপি প্রিমিয়ামে অর্থ রাখলে দুর্ঘটনা ঘটলে ২ লাখ রুপির আর্থিক নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে। আর প্রতি মাসে ১২ রুপি ব্যাংকে জমা করার বিপরীতে জীবন বীমার সুযোগ দেয়া হলো। কয়েক লাখ ভারতীয় এসব সুযোগ গ্রহণ করল। এর সঙ্গে প্রত্যেককে একটি করে ডেবিট কার্ড দেয়া হলো। সেসঙ্গে এসব ব্যাংক হিসাব সচল রাখতে হিসাবের বিপরীতে গ্রাহকদের সামান্য কিছু ঋণ দেয়া হলো। যখন এ আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম পরিপূর্ণ হলো, আমাদের সামনে আরো একটি প্রতিবন্ধকতা চলে এল।

কীভাবে এ ব্যাংক হিসাবে আরো অর্থের প্রবাহ বাড়ানো যায়। কারণ এসব হিসাবধারীর বেশির ভাগই দরিদ্র শ্রেণীর।

ভারত সরকারের আরেকটি বড় ধরনের সংস্কার ‘আধার কার্ড’ চালু। এর প্রেক্ষাপট উল্লেখ করতে গিয়ে অরুণ জেটলি বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মাধ্যমে দরিদ্রদের ভর্তুকি সহায়তা দেয়া হয়। সব ভর্তুকিই মূলত পণ্যের দামে দেয়া হতো। মূল সমস্যাটি ছিল, এ ভর্তুকি সুবিধা উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত সবাই পেত। যদিও ভর্তুকি মূলত নিম্নবিত্তদের অধিকার। আমরা চিন্তা করলাম, এ ভর্তুকিগুলো কীভাবে সুনির্দিষ্ট মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়? এজন্য আমরা একটি প্রকল্পের বিষয়ে উদ্যোগী হলাম, যা মূলত ‘আধার নম্বর’ হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে ভারতীয়দের একটি করে শনাক্তকরণ নম্বর দেয়া হয়। আজকের দিনে প্রত্যেক ভারতীয়কে নিজ নিজ শনাক্তকরণ নম্বর নিতে হয়, যাতে আঙুলের ছাপসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক-সংক্রান্ত তথ্য থাকে। এখানে ভারতীয়দের তিন ধরনের তথ্য একত্রীকরণ করা হয়েছে— ব্যাংক হিসাব, আধার কার্ড নম্বর ও মোবাইল নম্বর। ফলে ‘জন ধন’, ‘আধার কার্ড’ ও ১০০ কোটি ‘মোবাইল নম্বর’ একত্র করে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়, যার মাধ্যমে কারা দরিদ্র তা শনাক্ত করা সহজ হয়। পরবর্তীতে আইনসভার সহযোগিতায় ভর্তুকিগুলো সুনির্দিষ্ট মানুষের কাছে তাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেয়া শুরু হলো। আগে পণ্যে ভর্তুকি দেয়া হলেও তা বন্ধ করে ভর্তুকির অর্থ নগদে ব্যাংকে দেয়া হচ্ছে। ফলে সবাইকে এখন বাজারমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সংস্কার এখানেই থেমে থাকেনি। ভারত সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপটি ছিল ক্ষুদ্রঋণকে সামনে আনা। ভারতের অর্থমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র স্কিমের মাধ্যমে সব ধরনের উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়া শুরু করল। এর ফলে বিপুল সংখ্যক উদ্যোক্তা খুবই কম খরচে ঋণ পেল ও অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠল। যখন থেকে ব্যাংকের সঙ্গে জনগণের লেনদেনের সম্পর্ক হয়ে গেল, তখন আমাদের সামনে আরো একটি প্রতিবন্ধকতা দৃশ্যমান হলো। তা হচ্ছে নগদ অর্থের অর্থনীতি। ভারতের জিডিপির সমান নগদ অর্থ বাজারে লেনদেন হয়ে থাকে। এর ফলে ভারতের বিশাল অংশ নগদ অর্থের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এ নির্ভরশীলতা কিছুটা অভিশাপের মতো হয়ে ওঠে। কারণ বাজারে যখন নগদ অর্থ থাকে, তখন কর ফাঁকির সুযোগ বাড়ে, ছায়া অর্থনীতি তৈরি হয়, দুর্নীতির সুযোগ বাড়ে এবং সেসঙ্গে তা বিভিন্ন ধরনের অপরাধের জন্ম দেয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, অতিরিক্ত অর্থ সবসময়েই দরিদ্রের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। কারণ যে মানুষটির কাছে অতিরিক্ত নগদ অর্থ রয়েছে, সে রাজ্যকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করে। সেসঙ্গে ভারতের মতো দেশে নগদ অর্থের কারণে জঙ্গিবাদ বাড়ছে। সমাজ এমন পরিস্থিতিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, পর্যাপ্ত নগদ অর্থের লেনদেন ছাড়া জমি পর্যন্ত কেনাবেচা হয় না। এ অবস্থায় সরকার শুরুতেই বিদেশে সম্পত্তি স্থানান্তর না করে বেশি কর দেয়ার সুযোগ দিয়েছিল। সেসঙ্গে এ সম্পত্তিগুলো ফিরিয়ে আনার সুযোগও দেয়া হয়। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পত্তি ফিরিয়ে আনেনি, তাদের বিরুদ্ধে শক্ত আইন করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপটি ছিল— আমরা ভারতীয়দের জন্য আয় বিবরণী জমা দেয়ার একটি স্কিম নিয়েছিলাম। সেসঙ্গে ‘বেনামি আইন’ নামে একটি আইন করা হয়। যাদের বেনামে সম্পত্তি রয়েছে, তাদের ফৌজদারি অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এর মাধ্যমে আমরা বেনামি সম্পত্তিগুলো চিহ্নিত করে তা বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নিই। এরপর ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বড় নোটগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্তমতো বড় নোটগুলো রহিত করা হলো। ফলে যার কাছে যা ছিল, সবাই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অর্থ জমা করতে শুরু করল। অর্থের মালিককে নিজের কাছে লুকিয়ে রাখা অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করতে হলো। সেসঙ্গে অর্থের উত্সও প্রকাশ পেতে শুরু করল। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৮ লাখ মানুষের আয়ের মধ্যে অসঙ্গতি চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছি আমরা। তাদের আইনের কাছে ধরা দিতে হয়েছে। এর মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা নগদ অর্থের প্রভাব ধ্বংস করল ভারত। ফলশ্রুতিতে ভারতে আমরা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখেছি। সমাজে নগদ অর্থ রাখার প্রবণতা কিছুটা কমে এসেছে। ডিজিটাল লেনদেন বেড়েছে। সেসঙ্গে ভারতে আয়কর থেকে রাজস্বও বেড়েছে। সবচেয়ে বড় যে ফলটি পেয়েছি তা হলো, সন্ত্রাসবাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এসেছে।http://bonikbarta.net/bangla/uploads/news/2017/10/yi.jpg?1507146172647

কর ব্যবস্থায় পরিবর্তন নিয়ে ভারতের অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা পণ্য ও সেবায় করারোপ করেছি। আমাদের কর ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তনগুলো আনা প্রয়োজন, সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো পরিবর্তনও করা হয়েছে। নতুন এ কর ব্যবস্থা পুরো অর্থনীতিতে পরিবর্তন এনে কর বৃদ্ধি করেছে। এর মাধ্যমে ভারতকে স্বচ্ছ প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিকে নেয়া হচ্ছে। বর্তমানের থেকে অনেক বড় প্রবৃদ্ধির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

এর বাইরে আরো কিছু সংস্কার আনা হয়েছে বলে জানান অরুণ জেটলি। তিনি বলেন, প্রত্যক্ষ করারোপে যৌক্তিকীকরণ, শক্তিশালী বৈদেশিক বিনিয়োগ নীতি, সব ধরনের বিনিয়োগকে দেশে আমন্ত্রণ, কেন্দ্রীয় সরকারে দুর্নীতি কমিয়ে আনা থেকে শুরু করে বেশকিছু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এর মাধ্যমে ভারত আরো দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। আরো দ্রুত উজ্জীবিত হবে। ভারতের অর্থনীতি ভবিষ্যতে এ অভিমুখেই চলবে। এ উদ্যোগগুলো গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বেশকিছু দেশ অর্থনৈতিক সংস্কারে ব্যবহার করতে পারে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এমন এক যুগের সাক্ষী হয়েছি, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কটি চরম সৌহার্দপূর্ণ স্থানে পৌঁছেছে। দুই দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে এখন খুবই তাত্পর্যপূর্ণ সহযোগিতা ও বোঝাপড়া রয়েছে। এর উদাহরণ হচ্ছে, বর্তমানে ১৪ লাখ বাংলাদেশীকে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ভিসা দিচ্ছে। আজ (বুধবার) আমরা যে আলোচনা করেছি, যেখানে তৃতীয় ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। কোনো একক দেশের জন্য এটাই ভারতের সবচেয়ে বড় ঋণ সহযোগিতা। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একত্রে যে ঋণ পেয়েছে, সে বিচারে ভারতীয় ঋণ সবচেয়ে বড়। দুই দেশ যে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, তারই প্রতিফলন এসব।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, তথ্য ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছে। এটা অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস ৭৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও এক্সিম ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বক্তব্য রাখেন।

৪৫০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি সই: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪৫০ কোটি ডলারের ‘ডলার ক্রেডিট লাইন’ শীর্ষক তৃতীয় ঋণচুক্তি সই হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আজম ও ভারত সরকারের পক্ষে সে দেশের এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রাসকুনহা চুক্তিতে সই করেন।

এ চুক্তির আওতায় ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। তৃতীয় ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল ও বন্দর, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা যাবে। মাত্র ১ শতাংশ হার সুদে এ ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২০ বছর সময়কালে পরিশোধ করা যাবে। ২০ বছরের মধ্যে ফেরত ছাড়াও ভারত থেকে ঠিকাদার নিয়োগ ও নির্মাণসামগ্রীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দেশটি থেকে ক্রয়সহ আগের চুক্তির মতো অন্যান্য শর্ত বহাল থাকবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভারতের অর্থমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আমরা তিনটি ঋণবৃদ্ধির অধীনে বাংলাদেশকে ৮০০ কোটি ডলার প্রদান করেছি। এ পর্যন্ত এটাই কোনো দেশকে ভারতের দেয়া সর্বোচ্চ মাত্রার ঋণ। অতি হ্রাসকৃত সুদে দেয়া হয়েছে এ ঋণ।

তিনি বলেন, ভারতের স্বার্থেই একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রয়োজন। পারস্পরিক সংযোগ জোরদার করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, উপ-আঞ্চলিক অথনৈতিক সহযোগিতা ও এতদঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে যোগাযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক, রেল, জল ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচলসহ ১৯৬৫-পূর্ব যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের ওপর উভয় দেশের সরকার গুরুত্বারোপ করেছে। আমার বিশ্বাস, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও দুই দেশের মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী বলেন, এলওসির আওতায় নেয়া প্রকল্পের বাস্তবায়ন সন্তোষজনক নয়। অর্থছাড়ে বিলম্বের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা দুর্বলতা এজন্য দায়ী।

অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অরুণ জেটলি বলেন, জমি অধিগ্রহণ ও প্রকল্প যাচাইয়ের দুর্বলতাই মূলত এজন্য দায়ী। এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, সব দেশেই হয়। আশা করছি, সরকার এ দুর্বলতা কাটিয়ে উঠবে।




bangla news

নগদ অর্থ ছাড়া লেনদেনের প্রকল্প উদ্বোধন জেটলির

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আপডেট: ২০১৭-১০-০৪ ১২:৫০:২০ পিএম



হোটেল সোনারগাঁয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে অরুণ জেটলি সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা; ছবি- জিএম মুজিবুর

হোটেল সোনারগাঁয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে অরুণ জেটলি সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা; ছবি- জিএম মুজিবুর


ঢাকা: বাংলাদেশ সফররত ভারতের  অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষে ভারতের স্টেট ব্যাংক ইন্ডিয়া পরিচালিত ভিসা সার্ভিসে নগদ অর্থ ছাড়া লেনদেনের একটি নতুন প্রকল্প যৌথভাবে উদ্বোধন করেন।

ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিনে বুধবার ( ৪ অক্টোবর) হোটেল সোনারগাঁয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত ‘ভারত সরকারের ম্যাক্রো ইকোনমিক উদ্যোগ’ শীর্ষক  অনুষ্ঠান থেকে উদ্বোধন করা হয়।

একই সঙ্গে এদিন ভারতের এক্সিম ব্যাংকের বাংলাদেশ শাখারও উদ্বোধন করেন অরুণ জেটলি ও আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বি শ্রী রাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা বলেন এবং ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রাজ কুইনা।

এ সময় দেয়া বক্তব্যে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বি শ্রী রাম বলেন, ভারতে এখন ৪৮ শতাংশ অর্থ বিনিময় হচ্ছে ডিজিটাল সিস্টেমে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া পরিচালিত ভিসা সার্ভিসে নগদ অর্থ ছাড়া লেনদেনের এই নতুন প্রকল্প ঢাকায় শুরু করা হচ্ছে।




নগদনির্ভর অর্থনীতির অনর্থ দেখালেন ভারতের অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2017-10-04 17:03:27.0 BdST Updated: 2017-10-04 18:00:39.0 BdST

  • রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বুধবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ছবি: আসাদুজ্জামান প্রামানিক

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বুধবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ছবি: আসাদুজ্জামান প্রামানিক

নগদবিহীন লেনদেনের উপর গুরুত্বারোপ করে ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, নগদনির্ভর অর্থনীতি দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ঝুঁকিতে ফেলে গরিবদের।

বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেল নিজ দেশের ইনক্লুশন এবং ডিমনিটাইজেশনের উপর এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যখন কোনো অর্থনীতি নগদ মুদ্রার উপর বেশি নির্ভরশীল হয়, তখন তার অভিশাপও আপনাকে ভোগাবে।

“নগদ মুদ্রাকেন্দ্রিক অর্থনীতি কর ফাঁকি, কালো টাকা ও দুর্নীতির দিকে ধাবিত করে। নগদ লেনদেন এমন অন্যান্য অন্যায়ের দিকে ধাবিত করে, যেটা পুরো সিস্টেমটাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।”

নগদ মুদ্রানির্ভর অর্থনীতি কীভাবে দরিদ্রদের বিরুদ্ধে কাজ করে তার সহজ ব্যাখ্যাও দেন ভারতের এই রাজনীতিক।

এ থেকে মুক্ত হতে সে দেশের সরকার গত নভেম্বরে ডিমনিটাইজেশনের ব্যবস্থায় ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাজার থেকে তুলে নিয়েছিল।

অরুণ জেটলি বলেন, “অতিরিক্ত নগদমুদ্রা দরিদ্রদেরকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। কারণ যেসব লোক অতিরিক্ত নগদ গচ্ছিত রাখতে পারে, তারা সরকারকে কর বঞ্চিত করতে পারে- যেটা অন্যভাবে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিতদের জন্য ব্যবহার হতে পারত।”


অপ্রদর্শিত নগদ মুদ্রা যে জঙ্গি অর্থায়নের দিকে যেতে পারে, সেই সতর্ক বার্তাও দেন ভারতের অর্থমন্ত্রী।

“নগদ টাকা অজ্ঞাতে বাজারে ব্যবহৃত হওয়ায় মালিকের খোঁজ থাকে না। ভারতের মতো দেশ, যেখানে অনেক ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়ছে এবং সমর্থন পাচ্ছে এই নগদ দ্বারাই।”

ডিমনিটাইজেশনের ফলে ভারতের কী উপকার হয়েছে সেই প্রসঙ্গে অরুণ জেটলি বলেন, “কম নগদ লেনদেন এবং ডিজাটালাইজড ট্রানজেকশন বেড়েছে। আয়কর দাতাদের সংখ্যা হুট করে বেড়েছে। কারণ যারা নগদ টাকাকে করের বাইরে রেখেছিল, তারা করের অধীনে আসতে বাধ্য হয়।

“এর চতুর্থ বড় অর্জন সন্ত্রাসীরা তাদের সন্ত্রাসী অর্থায়ন সঙ্কুচিত করতে বাধ্য হয়েছে।”

ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরে থাকা ৪২ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে এর আওতায় নিয়ে আসতে ভারতে সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন অরুণ জেটলি।

“তাদের ব্যাংকিংয়ের আওতায় নিয়ে আসার পর ব্যাংকের প্রতিনিধিরা প্রত্যেক বাড়িতে যাওয়া শুরু করল এবং চেষ্টা করেছে যাতে প্রত্যেক পরিবার অন্তত একটি ব্যাংক হিসাব খোলে। ৩০ কোটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে সক্ষম হয়েছি আমরা। যখন এই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, তখন সেগুলো ৭৮ শতাংশের কোনো জমা ছিল না।”


India’s Finance Minister Arun Jaitley. Photo: md asaduzzaman pramanik

ওই ব্যাংক হিসাবগুলো চালু রাখার স্বার্থে মানুষদেরকে ‘কম খরচের ইন্সুরেন্স ও পেনশন নীতি’ গ্রহণের মাধ্যমে প্রণোদনা দেওয়া হয় বলে জানান ভারতের অর্থমন্ত্রী।

“আমি প্রণোদনার অংশ হিসাবে বলা হয়, প্রতি মাসে এক টাকা প্রিমিয়ামে দুই লাখ টাকা এক্সিডেন্ট পেনশন পলিসি, দুই রুপি এক মাসের প্রিমিয়ামে ২ লাখ জীবন বীমা পাবে। এর ফলে লাখে লাখে মানুষ এই পলিসি গ্রহণ করা শুরু করল।”

ভর্তুকির দেওয়ার ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনার কথা বলেন তিনি।

“সাধারণত পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া হয়। এ কারণে যাদের প্রয়োজন নেই, তারা সেটা পায়। পরে ব্যাংক হিসাব ও স্বতন্ত্র পরিচিতি নম্বর দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ভর্তুকি প্রদানের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়।”


ভারতের হাই কমিশন ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের কারণে এখনকার অগ্রগতি অবিশ্যাম্ভাবী। দুর্নীতি দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি।”

ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, এক্সিম ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রাসকিনহা, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানটি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ওয়েবসাইট সরাসরি দেখানো হয়।