Policy Research Institute - PRI Bangladesh

The Policy Research Institute of Bangladesh (PRI) is a private, nonprofit, nonpartisan research organization dedicated to promoting a greater understanding of the Bangladesh economy, its key policy challenges, domestically, and in a rapidly integrating global marketplace.

Media Reports_Seminar on 18 December, 2017


News Published: Tuesday, Dec 19, 2017

Make BEZA overall regulator for all economic zones

Experts suggest relieving investors of regulatory hassles

 December 19, 2017 00:00:00

FE Report

A clarion call came from experts Monday for empowering Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) as overall regulator for all types of economic zones to relieve investors of regulatory hassles over the SEZ issues.

In future, BEZA should consider becoming arbiter of all zones, moving away from its zone-development role, they said at a roundtable held in the capital to show what is needed for transforming Bangladesh into a manufacturing hub for desired economic advances.

That way, the speakers added, BEZA can perform its regulatory role efficiently within the boundaries of economic zones while this will ease the doing-business-environment within the zones.

Country's leading research-body Policy Research Institute (PRI) organized the roundtable themed 'Economic Zones-Transforming Bangladesh into a Manufacturing Hub- Key Policy and Regulatory Issues'.

"In future, let BEZA be regulator for all types of zones and each of the zones be spun out public entities working in level playing field along with private and G2G country-specific zones," said Dr. G.M. Khurshid Alam, Operations Director of PRI.

"The One-Stop Service facilities should also be extended to private and the foreign G2G zones," he added.

PRI's views came at a time when the government has taken initiative to develop 100 special economic zones in the country by 2030 to foster private and foreign investment.

As of now, BEZA has earmarked 74 sites for such economic zoning, of which 20 are private zones. So far, the final all-clear has been given for the establishment of five private economic zones.

Once completed, SEZs are expected to create jobs for 10 million people and produce products and services worth US$40 billion.

Reflecting on this mega-initiative, PRI experts, however, pointed out regulatory and institutional issues, infrastructural bottlenecks and lack of adequate skilled human resources as major challenges against implementing the scheme.

"To address the regulatory and institutional challenges, it is important that BEZA is given full authority of overseeing the economic zones so that any regulatory issue can be well coordinated and relevant decision-making process can speed up," Dr. Alam told the meet.

Discussants at the event also observed that Mirsarai Economic Zone, the largest one in the making, must achieve early completion and show success to lead the way.

If Mirsarai Economic Zone is operationalized soon, this will send a positive signal to all investors that Bangladesh is open for business, they said.

Some discussants were also skeptical about the need for 100 economic zones in the country, citing the shortage of land as a major hindrance.

If five or six SEZs can be successfully operationalized within the next three or four years, other zones will also see gradual rollout, they observed.

Executive Chairman of BEZa Paban Chowdhury, who was special guest of event, said the government is planning to create a land bank for the special economic zones within the next two years to address the land-shortage issue.

"Already seven of the economic zones are totally booked, which would attract investment worth US$ 1.4 billion," he added.

Principal SDG Coordinator at the Prime Minister's Office Md. Abul Kalam Azad, who was chief guest, noted that currently, there are huge fallow lands in the southern region of the country which can offer sites for the development of future economic zones in the country.

"Most of the authorities relevant to investment in economic zones, like BIDA, BEZA, BEPZA or PPP Authority, are already under the PMO. So, coordination should not be a big problem," he said.

Executive Director of PRI Dr. Ahsan H Mansur, Managing Director of Abul Monem Economic Zone Limited Mr. ASM Mainuddin Monem and Director of AK Khan and Co. Limited AMM Shahadat Hossain, among others, also spoke on the occasion.





‘Set up 12 economic zones first’

‘Set up 12 economic zones first’

Photo:Mahmud Hossain Opu/Dhaka Tribune

'If Bangladesh can present a dozen or even just five economic zones as models, it will draw the attention of global investors'

The owners of private economic zones have urged the Bangladesh government to complete at least a dozen out of 100 proposed new zones on a priority basis, in order to build up the confidence of investors as well as to attract more investment from both foreign and domestic sources.

In addition, they suggested that Mirsarai Economic Zone be developed as the flagship for the upcoming zones, as it has already generated significant hype among local and global investors.

The remarks were made on Monday by speakers at a seminar titled “Economic Zones: Transforming Bangladesh into a Manufacturing Hub- Key Policy and Regulatory Issues,” organized by the Policy Research Institute (PRI) in Dhaka.

“If Bangladesh can present a dozen or even just five economic zones as models, it will draw the attention of global investors,” said ASM Mainuddin Monem, managing director of Abdul Monem Economic Zone Ltd.

Monem said Honda recently invested in the economic zone of which he was in-charge, and about 10 spare parts manufacturers were observing the venture in order to also invest, if it was successful.

He added that infrastructural support should come from the government, although public-private partnerships were acceptable in cases of power generation.

Furthermore, AK Khan Economic Zone Project Director M Shahadat Hossain said: “The establishing of 100 new economic zones sounds good. But the question is whether it is possible to implement them all at the same time.”

Md Abul Kalam Azad, principal coordinator for the sustainable development goals at the Prime Minister’s Office, said the government would be able to complete all of the zones as similar doubts over the scale were expressed regarding electricity generation projects.




শিল্প বাণিজ্য

পিআরআইয়ের গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা

ইজেড প্রতিষ্ঠায় মানসম্মত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১:২৩:০০ মিনিট, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৭

  ইজেড প্রতিষ্ঠায় মানসম্মত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবেঅর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প বিকাশের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। তবে অনেক সময় অপিরকল্পিতভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চল করায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। ইজেড প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক, অবকাঠামো ও জনবলকেন্দ্রিক কিছু চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এগুলো মোকাবেলা করতে পারলে অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুফল ভোগ করা সম্ভব।

গতকাল রাজধানীর পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গবেষণা সংস্থা পিআরআই ‘ইকোনমিক জোনস— ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ ইনটু আ ম্যানুফ্যাকচারিং হাব— কি পলিসি অ্যান্ড রেগুলেটরি ইস্যুজ’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের অপারেশন ডিরেক্টর ড. জিএম খুরশিদ আলম। প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের এমডি সালাহ উদ্দিন কাসেম খান, আব্দুল মোনেম ইকোনমিক জোন লিমিটেডের এমডি এএসএম মঈনুদ্দীন মোনেম ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ট্রেড অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস-বিষয়ক প্র্যাকটিস ম্যানেজার এসপারেঞ্জা লাসাগাবাস্টার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো একই এলাকার মধ্যে বিদ্যুত্, গ্যাস, যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো অবকাঠামো সেবাগুলো নিশ্চিত করা। কিন্তু অনেক সময় অপরিকল্পিতভাবে এমন কিছু এলাকায় ইজেড প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে এসব সেবা প্রদান প্রায় অসম্ভব। অথচ শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে অবকাঠামো সেবার মান নিশ্চিতকরণের বিকল্প নেই। পাশাপাশি আমাদের দেশে দক্ষ জনবল সংকটের বিষয়টি খুবই প্রকট। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পর দক্ষ রসায়নবিদ, প্রকৌশলীর মতো পদগুলোয় দক্ষ জনবলের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্পাদনের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

তারা আরো বলেন, অবকাঠামো নির্মাণ, জনবল নিয়োগ, শিল্প কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে যেসব নীতিমালা করে দেয়া হয়, সেগুলো তদারকির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় মানসম্মত অবকাঠমো, দক্ষ জনবল ও নজরদারির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।




১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নে তিন চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০

১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নে তিন চ্যালেঞ্জ
আগামী ১৫ বছরে সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নের পথে তিনটি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)। বেসরকারি এই গবেষণা সংস্থা বলেছে, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি রেগুলেটরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো—এই তিন চ্যালেঞ্জ উতরাতে না পারলে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা কঠিন হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বনানীতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন পিআরআইর অপারেশন পরিচালক জি এম খুরশিদ আলম। মূল প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হবে বিভিন্ন শ্রেণির। কারিগরি বিষয়ে যেখানে প্রাধান্য পাবে। সেখানে প্রচুর দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। কিন্তু সে ধরনের দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশে নেই। অর্থনৈতিক অঞ্চল চালুর আগে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা চ্যালেঞ্জ হবে। এ ছাড়া দেশে বিদ্যমান অনেক আইন-কানুন আছে; যেগুলো বিনিয়োগবান্ধব নয়। সেসব আইন-কানুন সহজ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে হবে। খোরশেদ আলম বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে।

বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, সড়ক অবকাঠামো উন্নত না হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে না। রেগুলেটরি (আইন-কানুন) ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান মনসুরের সঞ্চালনায় সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বাস্তবায়নবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, একে খান গ্রুপের পরিচালক শাহাদাত হোসেন, সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক, সোহেল চৌধুরী, আবদুল মজিদসহ অন্যরা।

সেমিনারে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সারা দেশে সরকারি যেসব অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে, সেখানকার বাইরে ও ভেতরের অবকাঠামো উন্নয়ন করে দিচ্ছে সরকার। সরকারি নিজস্ব অর্থায়নে সেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি অর্থনৈতিক 

http://kalerkantho.com/ckfinder/userfiles/images/print/2017/Print-2017/December/19-12-2017/Kalerkantho_17-12-19-02.jpgঅঞ্চলে তা করা হচ্ছে না। এতে বৈষম্য করা হচ্ছে। সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পাশাপাশি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অব সাইট বা বাইরের অবকাঠামো সরকারি অর্থায়নে করার দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া বেজাকে ডেভেলপারের ভূমিকা নয়, বরং নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালনেরও পরামর্শ দেন ব্যবসায়ীরা। সভায় সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক বেজা, বেপজা, বিডা, হাইটেক পার্ক অথরিটির কাজের সমন্বয়ের বিষয়ে জানতে চান।

একে খান গ্রুপের পরিচালক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা উচিত। আর ওয়ান স্টপ সার্ভিসের দায়িত্ব বেজাকেই দেওয়া উচিত। আমরা একই ছাদের নিচে সব ধরনের সেবা একসঙ্গে পেতে চাই। ’ তবে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আগে দেশের বন্দরগুলোর উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করবেন। শুনতে বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু এসব অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে আমদানি ও রপ্তানিনির্ভর। সে আলোকে বন্দর কি প্রস্তুত? দেশের বন্দরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন না করেই অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু করলে সেটা কার্যকর হবে না। ’

শাহাদাত হোসেন বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কারণে একটি দুর্ঘটনা ঘটলে বিদেশিদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। তিনি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অব সাইট বা বাইরের কাজ সরকারি অর্থায়নে করে দেওয়ার দাবি করেন।

আবদুল মোনেম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাঈনুদ্দিন মোনেম বলেন, ‘সিঙ্গাপুর নব্বইয়ের দশকে যা করেছে, আমরা ২০১৭ সালে তা করছি। ’ অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকার আগামী ১৫ বছরে সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। এ জন্য ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, যত অথরিটি করা হয়েছে, সব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। সবার কাজে সমন্বয় সাধনে প্রতি মাসে বৈঠক হয়।

পবন চৌধুরী বলেন, বেজা যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তাহলে কোনো চ্যালেঞ্জই থাকবে না। সব সমাধান সম্ভব। অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এর গুণগত মান নিশ্চিত করার দিকে বিশেষ নজর রয়েছে বলেও জানান তিনি।